চিরিরবন্দর উপজেলা
চিরিরবন্দর উপজেলার আয়তন ৩০৮.৬৮ বর্গ কিমি। চিরিরবন্দর থানার সৃষ্টি ১৯১৪ সালে এবং থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৪ সালে। এই উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে ছোট যমুনা ও আত্রাই নদী। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় এখানকার দশ মাইল নামক স্থানে মুক্তিযোদ্ধা ও পাকসেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব বেগ শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে এখানকার রনীর বন্দর জে বি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গন থেকে বধ্যভূমি ও গণকবর আবিষ্কৃত হয়।
বর্তমানে এই উপজেলায় প্রায় ২.৫ লক্ষ লোকের বাস এবং মানুষের জীবিকা নির্ভর করে করে ব্যবসা ও কৃষির উপর। প্রধান কৃষি ফসলঃ ধান, পাট, গম, ডাল, তৈলবীজ, আখ, আলু। এখানে আছে ছোট বড় প্রায় ১৫ টি ইটের ভাঁটা। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের মধ্যে আছে তাঁত শিল্প। চিরিরবন্দর উপজেলার শিক্ষার হার ৩৫%। এখানে ৪ টি কলেজ, ৬০ টি উচ্চবিদ্যালয়, ৩০ টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৯৫ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এই উপজেলায় ১ টি পাবলিক লাইব্ররিও আছে। বিনদোন এর জন্য রয়েছে ১ টি সিনেমা হল। মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং স্যাটেলাইট ক্লিনিক।
চিরিরবন্দর উপজেলা দিনাজপুর ৪ নির্বাচনী আসনের অন্তর্ভুক্ত।
বর্তমানে এই উপজেলায় প্রায় ২.৫ লক্ষ লোকের বাস এবং মানুষের জীবিকা নির্ভর করে করে ব্যবসা ও কৃষির উপর। প্রধান কৃষি ফসলঃ ধান, পাট, গম, ডাল, তৈলবীজ, আখ, আলু। এখানে আছে ছোট বড় প্রায় ১৫ টি ইটের ভাঁটা। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের মধ্যে আছে তাঁত শিল্প। চিরিরবন্দর উপজেলার শিক্ষার হার ৩৫%। এখানে ৪ টি কলেজ, ৬০ টি উচ্চবিদ্যালয়, ৩০ টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৯৫ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এই উপজেলায় ১ টি পাবলিক লাইব্ররিও আছে। বিনদোন এর জন্য রয়েছে ১ টি সিনেমা হল। মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং স্যাটেলাইট ক্লিনিক।
চিরিরবন্দর উপজেলা দিনাজপুর ৪ নির্বাচনী আসনের অন্তর্ভুক্ত।
